সংক্ষিপ্ত বিবরণ: স্ত্রীরোগ চিকিৎসার ক্ষেত্রে অসংখ্য উদ্ভাবনী অগ্রগতি সাধিত হয়েছে, যা আমাদের 'ন্যূনতম ছেদযুক্ত অস্ত্রোপচার কৌশল' বা 'মিনিম্যালি ইনভেসিভ সার্জারি'-র আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। বর্তমানে, ভারতের রোগীরা স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত অস্ত্রোপচারের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই নতুন পদ্ধতিগুলোর সুফল ভোগ করতে পারছেন। স্ত্রীরোগ চিকিৎসার এই ন্যূনতম ছেদযুক্ত অস্ত্রোপচার পদ্ধতিগুলোতে ছোট ছোট যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের ত্বকে তৈরি অতি ক্ষুদ্র ছিদ্র বা ছেদের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করানো হয়। একটি অণুবীক্ষণ যন্ত্র এবং ক্ষুদ্র ফাইবার অপটিক বা আলোক-তন্তুযুক্ত বাতিসহ একটি অতি-ক্ষুদ্র ক্যামেরা শরীরের ভেতরের দৃশ্য একটি উচ্চ-রেজোলিউশনের মনিটরে সরাসরি সম্প্রচার করে; এর ফলে চিকিৎসকের পক্ষে ত্বকে অত্যন্ত ছোট ছেদ তৈরি করেই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। ডিম্বাশয়ের সিস্ট ও টিউমার, এন্ডোমেট্রিওসিস, জরায়ুর ফাইব্রয়েড, পেলভিক বা শ্রোণি অঞ্চলের ব্যথা এবং অত্যধিক রক্তপাতসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় এই ন্যূনতম ছেদযুক্ত অস্ত্রোপচার পদ্ধতিগুলো প্রায়শই প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এটি কীভাবে কাজ করে? স্ত্রীরোগ...
সংক্ষিপ্ত বিবরণ: স্থূলতা বর্তমানে মহামারীর আকার ধারণ করেছে, যার ফলে মৃত্যুহার ও অসুস্থতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জীবনযাত্রার মানের অবনতি ঘটেছে। 'ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি' বলতে এমন সব অস্ত্রোপচার পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে ওজন কমাতে সহায়তা করা। স্থূলতা নিরাময়ের জন্য ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি মূলত সেইসব রোগীদের জন্য নির্ধারিত, যারা মারাত্মক বা অতিমাত্রায় স্থূল। এই পদ্ধতিতে রোগীর পেটে ৫ থেকে ৬টি ছোট ছিদ্র বা কর্তন করা হয় এবং একটি ভিডিও ক্যামেরা (ল্যাপারোস্কোপ) ও লম্বা যন্ত্রপাতির সাহায্যে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়; এই যন্ত্রগুলো ওই ছোট ছিদ্রগুলোর মাধ্যমেই পেটের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। ল্যাপারোস্কোপিক ব্যারিয়াট্রিক সার্জারির সময় পাকস্থলীর প্রায় ৭৫ শতাংশ অংশ কেটে বাদ দেওয়া হয়, যার ফলে পাকস্থলীটি একটি সরু 'নল' বা 'স্লিভ'-এর আকৃতি ধারণ করে। এই অস্ত্রোপচারের সময় অন্ত্রের কোনো অংশই কেটে বাদ দেওয়া হয় না কিংবা অন্ত্রের গতিপথও পরিবর্তন করা হয় না। ভারতে ল্যাপারোস্কোপিক ব্যারিয়াট্রিক সার্জারির সুবিধাসমূহ অস্ত্রোপচারের পূর্বে রোগীর ওজন কত ছিল—তার ওপর ভিত্তি করে...