সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: স্থূলতা বর্তমানে মহামারী আকার ধারণ করেছে, যার ফলে মৃত্যু ও অসুস্থতার হার বৃদ্ধির পাশাপাশি জীবনযাত্রার মানেরও অবনতি ঘটছে। ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি হলো এমন এক ধরনের অস্ত্রোপচার পদ্ধতি যা মানুষকে ওজন কমাতে সহায়তা করে। স্থূলতার চিকিৎসার জন্য ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি মূলত গুরুতর স্থূল হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ ব্যক্তিদের জন্য করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় পেটের অংশে ৫ বা ৬টি ছোট ছিদ্র করা হয় এবং একটি ভিডিও ক্যামেরা (ল্যাপারোস্কোপ) ও বিশেষ লম্বা যন্ত্রপাতির সাহায্যে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়; এই যন্ত্রপাতিগুলো ওই ছোট ছিদ্রগুলোর মাধ্যমেই শরীরের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। ল্যাপারোস্কোপিক ব্যারিয়াট্রিক সার্জারির সময় পাকস্থলীর প্রায় ৭৫ শতাংশ কেটে বাদ দেওয়া হয়, যার ফলে পাকস্থলীটি একটি সরু 'টিউব' বা 'স্লিভ'-এর আকার ধারণ করে। এই অস্ত্রোপচারের সময় অন্ত্রের কোনো অংশ কেটে ফেলা বা বাইপাস করা হয় না। ভারতে ল্যাপারোস্কোপিক ব্যারিয়াট্রিক সার্জারির সুবিধাসমূহ: অস্ত্রোপচারের পরবর্তী প্রথম বছরেই রোগীরা তাদের অতিরিক্ত শরীরের ওজনের ৪০% থেকে ৭০% পর্যন্ত কমাতে পারেন (এটি নির্ভর করে অস্ত্রোপচারের...
ইউরেথ্রোপ্লাস্টি (ইউরেথ্রোপ্লাস্টি) কী? ইউরেথ্রোপ্লাস্টি হলো মূত্রনালী (মূত্রনালি) মেরামত বা পুনর্গঠনের একটি অস্ত্রোপচার পদ্ধতি; এই নালীটি মূত্রথলি থেকে শরীরের বাইরের ছিদ্র পর্যন্ত মূত্র বহন করে। মূত্রনালীর বিভিন্ন সমস্যা—যেমন নালী সরু হয়ে যাওয়া (সংকীর্ণতা), আঘাত বা জন্মগত ত্রুটি—সমাধানের জন্য সাধারণত এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়। ইউরেথ্রোপ্লাস্টির মূল লক্ষ্য হলো মূত্রনালীর স্বাভাবিক গঠন ও কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনা, যাতে মূত্রপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকে। মূত্রনালী সরু হয়ে যাওয়া এবং এর ফলে সৃষ্ট মূত্রজনিত সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের হারের দিক থেকে এটিকে অত্যন্ত কার্যকর একটি পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইউরেথ্রোপ্লাস্টি (ইউরেথ্রোপ্লাস্টি)-র পরবর্তী সময়ে জীবনযাত্রার মান কেমন হয়? ইউরেথ্রোপ্লাস্টি-পরবর্তী জীবনযাত্রার মান বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে; যেমন—রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য, অস্ত্রোপচারের জটিলতা, অস্ত্রোপচারের ফলাফল এবং রোগীর অন্য কোনো বিদ্যমান শারীরিক সমস্যা। একটি সফল অস্ত্রোপচার প্রস্রাব করতে দ্বিধা বা বিলম্ব হওয়া, প্রস্রাবের ধার দুর্বল হওয়া, প্রস্রাব আটকে যাওয়া এব...