সারসংক্ষেপ: গাইনোকোলজি বা স্ত্রীরোগবিদ্যা নারীদের, বিশেষ করে যারা গর্ভবতী নন, তাদের রোগ নির্ণয় এবং পরিচর্যার উপর গুরুত্ব দেয়। এর বিপরীতে, অবস্টেট্রিক্স বা প্রসূতিবিদ্যা নিয়মিত ফলো-আপ অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে গর্ভাবস্থায় নারীদের পর্যবেক্ষণ এবং পরিচর্যার সাথে সম্পর্কিত। গাইনোকোলজির আওতায় বিস্তৃত পরিসরের উন্নত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা কৌশল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গত তিন দশকে, গাইনোকোলজিক্যাল সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি এবং অতি সম্প্রতি রোবোটিক-সহায়তাযুক্ত সার্জিক্যাল কৌশলের প্রবর্তনের কারণে। এটি ব্যাপকভাবে স্বীকৃত যে ন্যূনতম আক্রমণাত্মক (মিনিম্যালি ইনভেসিভ) পদ্ধতির ফলে দ্রুত আরোগ্য লাভ, হাসপাতালে স্বল্পকালীন অবস্থান, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ব্যথা হ্রাস এবং রক্তক্ষরণ কম হয়। গাইনোকোলজিক্যাল ক্যান্সার সার্জারির মাধ্যমে কোন কোন রোগের চিকিৎসা করা যায়? গাইনোকোলজিক্যাল ক্যান্সারের মধ্যে বিভিন্ন প্রকার অন্তর্ভুক্ত, যেমন—সার্ভাইকাল ক্যান্সার, ওভারিয়ান ক্যান্সার, ইউটেরাইন ক্যান্সার, ভ্যাজাইনাল ক্যান্সার, ভালভার ক্যান্সার, এন্ডোমেট্রিয়াল ক্য...
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: স্থূলতা বর্তমানে মহামারী আকার ধারণ করেছে, যার ফলে মৃত্যু ও অসুস্থতার হার বৃদ্ধির পাশাপাশি জীবনযাত্রার মানেরও অবনতি ঘটছে। ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি হলো এমন এক ধরনের অস্ত্রোপচার পদ্ধতি যা মানুষকে ওজন কমাতে সহায়তা করে। স্থূলতার চিকিৎসার জন্য ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি মূলত গুরুতর স্থূল হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ ব্যক্তিদের জন্য করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় পেটের অংশে ৫ বা ৬টি ছোট ছিদ্র করা হয় এবং একটি ভিডিও ক্যামেরা (ল্যাপারোস্কোপ) ও বিশেষ লম্বা যন্ত্রপাতির সাহায্যে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়; এই যন্ত্রপাতিগুলো ওই ছোট ছিদ্রগুলোর মাধ্যমেই শরীরের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। ল্যাপারোস্কোপিক ব্যারিয়াট্রিক সার্জারির সময় পাকস্থলীর প্রায় ৭৫ শতাংশ কেটে বাদ দেওয়া হয়, যার ফলে পাকস্থলীটি একটি সরু 'টিউব' বা 'স্লিভ'-এর আকার ধারণ করে। এই অস্ত্রোপচারের সময় অন্ত্রের কোনো অংশ কেটে ফেলা বা বাইপাস করা হয় না। ভারতে ল্যাপারোস্কোপিক ব্যারিয়াট্রিক সার্জারির সুবিধাসমূহ: অস্ত্রোপচারের পরবর্তী প্রথম বছরেই রোগীরা তাদের অতিরিক্ত শরীরের ওজনের ৪০% থেকে ৭০% পর্যন্ত কমাতে পারেন (এটি নির্ভর করে অস্ত্রোপচারের...